Patient Learning & Blog

Latest News

অস্টিওজেনেসিস ইম্পারফেকটা (OSTEOGENESIS IMPERFECTA) নামক জীনগত ত্রুটির জন্য হাত পা বাঁকা হয়ে যাওয়া

বাবা মা'র মুখে থেকে বের হওয়া পাঁচটা শব্দের মধ্যে সাড়ে চারটার ই অর্থ বুঝিনা। কিন্তু মুখের হাসি বলে দিচ্ছে খুশী।...
Read More
Latest News SCFE

স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস (SCFE):

Dr. Quazi Shahid-ul Alam স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস (SCFE) হিপ জয়েন্টের রোগ। ১১-১৩ বছরের মেয়ে এবং ১২-১৪ বছরের ছেলে এবং...
Read More
Knock Knee and Bow Knee Latest News

পা বাইরের দিকে বেঁকে থাকা (Genu Valgum)

Dr. Tariqul Alam Noman শিশুর বয়স ২ বছর পার হলে স্বাভাবিক নিয়মেই সোজা পা একটু একটু করে বাইরের দিকে বাঁকতে...
Read More
Knock Knee and Bow Knee Latest News

পা ভিতরের দিকে বেঁকে থাকা (Genu Varum)

Dr. Tariqul Alam Noman পায়ের স্বাভাবিক বক্রতা  (Physiologic Bowing)জন্মের সময় শিশুর পা স্বাভাবিক নিয়মেই হাঁটু থেকে ১০-১৫ ডিগ্রী পরিমান ভিতরের...
Read More
Latest News

আমার বাচ্চা “ক্লাব ফুট বা মুগুর পা” নিয়ে জন্মেছে – ভাল হওয়ার উপায় কি??

Dr. Qaisur Rabbi ক্লাবফুট (মুগুর পা নামেও পরিচিত) একটি প্রচলিত জন্মগত পায়ের বিকৃতি যেখানে পাগুলো জন্মগতভাবে ভেতরের দিকে এবং নিচের...
Read More
{"dots":"true","arrows":"true","autoplay":"true","autoplay_interval":3000,"speed":600,"loop":"true","design":"design-1"}

অস্টিওজেনেসিস ইম্পারফেকটা (OSTEOGENESIS IMPERFECTA) নামক জীনগত ত্রুটির জন্য হাত পা বাঁকা হয়ে যাওয়া

স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস (SCFE):

পা বাইরের দিকে বেঁকে থাকা (Genu Valgum)

বাবা মা’র মুখে থেকে বের হওয়া পাঁচটা শব্দের মধ্যে সাড়ে চারটার ই অর্থ বুঝিনা। কিন্তু মুখের হাসি বলে দিচ্ছে খুশী। তাদের সাথে করে নিয়ে আসা এনজিও কর্মকর্তা সাধারনত দো-ভাষী হিসেবে আশেপাশেই থাকেন, কিন্তু এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক বার জিজ্ঞেস করার পর সামান্য যেটুকু বুঝলাম তা হলো কবে রোগী হাঁটতে পারবে। শেষ কবে পায়ে ভর দিয়ে হেঁটেছে জিজ্ঞাসা করে কোন উত্তর পাওয়া গেল না। তবে এতটুকু বোঝা গেল “অ-নে-ক আগে”।

মাহিমু (১১ বছর) নামের এই রোগী এসেছে কক্সবাজার জেলা থেকে। “অস্টিওজেনেসিস ইমপার্ফেক্টা (OI)” নামক হাড়ের জন্মগত ত্রুটি নিয়েই জন্ম তার। শুরুই দিকে অল্প কিছুদিন হাঁটতে পারলেও ধীরে ধীরে পা বেঁকে যাওয়ায় বিগত অ-নে-ক বছর শুয়ে-বসেই কাটে তার। আর দশটা বাচ্চার মত “মাহিমু”-র ও হয়তোবা জীবন কেটে যেত হুইল চেয়ারে বা বাবা মায়ের কোলে কোলে একজায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে। কিন্তু ওর সাহায্যে এগিয়ে আসে একটি এনজিও। ঘটনাচক্রে আমার সাথে দেখা। প্রথম প্রশ্ন ছিল, হাঁটতে পারবে কিনা? উত্তরে বলেছিলাম, “জিলাপি তৈরিতে শুনেছি আড়াই প্যাচ দেওয়া হয় আর আপনার বাচ্চার পায়ে আছে দেড় প্যাচ। প্রথমে পা সোজা করতে হবে তারপর দেখা যাবে। আর যে বাচ্চা সেই শৈশবে হেঁটেছে আর কখনো হাঁটেনি – তার হাটা আবার নতুন করে শিখতে হবে। সুতরাং ইনশাল্লাহ হয়তোবা পারবে। কিন্তু তার জন্য লাগবে ধৈর্য্য ও চেষ্টা”। 

দীর্ঘ ৩ মাসের চেষ্টায় সেই চেষ্টার প্রথম ধাপ “পা সোজা করা সম্পন্ন”। ইনশাল্লাহ আল্লাহ চায় তো দ্বিতীয় পর্ব‌ও সহজ করে দিবেন। এবার পথচলা “নতুন করে হাঁটতে শেখার উদ্দেশ্যে”। 

 

ডা. কায়েসুর রাব্বী

শিশু অর্থপেডিক সার্জন

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.